Friday, August 26, 2016

সহবাসের পরের যে পাঁচটি গুরত্বপূর্ণ বিষয় না জানলেই নয়!


babgla news

যৌন মিলনের সময় এবং যৌন মিলনের পরে এই পাঁচটি কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
১. মিলন পরবর্তী সময় মিলনের পোষ্ট মটেম করবেন না। অর্থাৎ মিলনের পর পরই সঙ্গীর অপারগতা গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করবেন না। এটা অন্য সময় আলোচনা করা যেতে পারে। তাকে উৎসাহ অথবা টিপস দিতে পারেন কিভাবে করলে আপনি বেশি মজা পেতেন। সব সময় পুর্ন তৃপ্তি পাবেন এমন কোন কথা নয়। আপানার সঙ্গী আপনার প্রতিপক্ষ নয়। তাই তাকে হারানোর চেষ্টা করবেন না। এতে আপনি নিজেই হারবেন।
hot mail
২. মিলন পরবর্তী সময়ে আপনার সঙ্গীকে বলুন আপনি কতটা আনন্দ পেয়েছেন। এটি পরবর্তীতে তাকে উৎসাহ জোগাবে আপানাকে তৃপ্ত করার।
৩. পারিবারিক সমস্যা কখনো বিছানায় আনবেন না। আমাদের দেশের নারীদের একটা প্রবনতা আছে যৌন মিলনের সময় পুরুষ যখন চরম উত্তেজনায় তখন নারী তার পাওনা/বায়না আদায়ের উপযুক্ত সময় মনে করে পুরুষ সঙ্গীকে চাপের মুখে ফেলতে চায়। এটা মোটেও সংসারে সুখ আনবে না। সুখি পরিবারে সঙ্গীর বায়না এমনিতে পুরন করার আগ্রহ জাগে।
৪. মিলনের পর পর অন্ততঃ পাচ মিনিট একে অপরকে জড়িয়ে ধরে রাখুন । তার চেয়ে বেশি সময় নিলে আরো ভাল।
৫. মিলন শেষে সঙ্গীর চোখের দিকে পরিতৃপ্তির হাসি দিয়ে বলুন “আমি তোমায় অনেনননক ভালবাসি”। ওই মুহুর্তের এই কথা গুলোর অর্থ রস অন্য সময়ের বলায় পাবেন না।

আরো খবর

জানেন কি, মেয়েদের কি ঘটে অর্গ্যাজমের সময়?

জানেন কি, মেয়েদের কি ঘটে অর্গ্যাজমের সময়?- click Video

hot bangla

hot


 

হস্তমৈথুনের বা যৌন মিলনের সময় চরম আনন্দের মুহূর্তকে বলা হয় অর্গ্যাজম। অর্গ্যাজমের সময় সুস্থ্য স্বাভাবিক পুরুষদের বীর্যস্খলন হয়। কিন্ত এখানে মনে রাখবেন অর্গ্যাজম এবং বীর্যস্খলন দুটো আলাদা বিষয়। সাধারণত দুটি একসাথেই হয় এবং অর্গ্যাজম বীর্যস্খলনে সাহায্য করে। তবে অর্গ্যাজম ছাড়াও বীর্যস্খলন কিংবা বীর্যস্খলন ছাড়াও অর্গ্যাজম হতে পারে। এমনিতে যৌন উত্তেজিত হলে মেয়েদের যোনি দিয়ে স্বল্প পরিমাণে পিচ্ছিল তরল বের হয় যা হস্তমৈথুন এবং যৌনমিলনের সময় লুব্রিকেশনের কাজ করে। এছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে সাধারণত অর্গ্যাজমের সময় যোনিপথে আলাদা করে কিছুই বের হয়না। কিছু কিছু প্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য তৈরি মুভিতে দেখানো হয় যে অর্গাজমের সময় বা তার পূর্বের যৌন উত্তেজনার ফলে মেয়েদের যৌনাঙ্গ থেকে প্রচুর পরিমাণে তরল ফিনকি দিয়ে বের হয়। ওটা আসলে মূত্রত্যাগের প্রকারভেদ, যা মূত্রছিদ্র দিয়ে বের হয়। অর্গাজমের সময় এই ধরনের মূত্রত্যাগকে বলা হয় ংয়ঁরৎঃরহম। তবে এই সময় মূত্রের সাথে কিছু বিশেষ গ্রন্থি হতে নিসৃত তরলও মিশে থাকতে পারে, যা সাধারণ মূত্রে থাকেনা।
খুবই সীমিত সংখ্যক (প্রায় ১০ শতাংশ) মহিলার ক্ষেত্রেই এই ংয়ঁরৎঃরহম হয়। এছাড়াও কিছু গবেষক মনে করেন যে অর্গ্যাজমের সময় স্কিন গ্রন্থি (যাকে মেয়েদের প্রোস্টেট গ্রন্থিও বলা হয়) থেকে সামান্য পরিমানে একধরনের চটচটে সাদাটে তরল বের হয়। এই ঘটনাকে বলা হয় ভবসধষব বলধপঁষধঃরড়হ। তবে ংয়ঁরৎঃরহম এবং ভবসধষব বলধপঁষধঃরড়হ দুটোই বিতর্কিত বিষয়। অনেকে আবার মনে করেন দুটি একই ঘটনা এবং একসাথেই ঘটে।

brand bazaar

অর্গ্যাজমের সময় মেয়েদেরও ছেলেদের মতন চরম আনন্দ বোধ হয়। তাদের ক্ষেত্রেও ওই সময় শরীরের বিভিন্ন পেশী (যোনি, জরায়ু, পায়ু, শ্রোনীচক্রের তলদেশ) নির্দিষ্ট ছন্দে সংকুচিত-প্রসারিত হয়। উল্লেখযোগ্য যে অর্গ্যাজমের সময় যোনির ভেতরের দেওয়ালের পেশীর পর্যায়ক্রমিক সংকোচন-প্রসারণ বীর্যসহ শুক্রাণুকে জরায়ুতে নিয়ে যেতে সাহয্য করে।
see

এছাড়াও অর্গ্যাজমের সময় মেয়েদের দ্রুত শ্বাস পড়তে থাকে, ঘাম হয়, গরম লাগে, শরীর কাপতে থাকে এবং শিৎকার বা চিৎকার করতে ইচ্ছে হয়। এই সময় এন্ডোর্ফিন ক্ষরিত হয়ে রক্তে মিশে যায় যার ফলে আনন্দ হয় এবং অনেক সময় ঘুমের আবেশ চলে আসে। অনেকের আবার ত্বকে রক্ত চলাচল বেড়ে গিয়ে গায়ের রঙ হালকা লালচে হতে পারে এবং স্তনের চুচুক শক্ত হয়ে আকারে বেড়ে যেতে পারে।

 

যৌন দৃশ্যে টলি-সুন্দরী শ্রীলেখা (Indian Model )

আবার যৌন দৃশ্যে টলি-সুন্দরী শ্রীলেখা (ভিডিও)

see
কলকাতা: টলিউডের অন্যতম হট অভিনেত্রী শ্রীলেখার অনুরাগী সংখ্যা অগণিত৷তাঁর অসাধারণ সৌন্দর্য এবং আবেদনে তিনি বরাবরই সমসাময়িকদের থেকে এগিয়ে থেকেছেন৷কিন্তু অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি ততটা খোলামেলা হননি৷কিংবা বলা ভালো সম্পূর্ণ খোলামেলা কোনও দৃশ্যে তিনি এখনও পর্যন্ত অভিনয় করেননি৷আজ তাঁরই অভিনীত ৬টি ছবির অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে আলোচনা করা যাক৷
উড়ো চিঠি: অতনু ঘোষ পরিচালিত এই ছবিতে ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তের বিপরীতে তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শ্রীলেখা মিত্র৷২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে শ্রীলেখা এবং ইন্দ্রনীলের একটি শয্যাদৃশ্য ছিল৷সেখানে হলুদ আলোয় নায়কের সঙ্গে একটি শর্ট ড্রেসে অভিনয় করেছিলেন শ্রীলেখা৷
আশ্চর্য প্রদীপ: এই ছবিটিকে তাঁর ঘনিষ্ঠ দৃশ্য সম্বলিত সিনেমা বলা চলে না৷কারণ এখানে শেষের কিছু আগের একটি দৃ্শ্যে একটি ফিনফিনে পাতলা স্বচ্ছ শাড়িতে দেখা গিয়েছিল৷চরিত্রের প্রয়োজনে এই দৃশ্যে পোশাকটি অবশ্যম্ভাবী ছিল৷কারণ সেখানে তিনি ছিলেন এক দেহব্যবসায়ী৷
এক মুঠো ছবি: এক মুঠো ছবির অন্তর্গত অর্ঘকমল মিত্র পরিচালিত ‘জন্মদিন’ ছবিটিতে রজতাভ দত্ত ও শ্রীলেখা মিত্র অভিনয় করেছিলেন৷এই দুজনের একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল ছবিতে৷এছাড়াও এই জুটি একাধিক রোমান্টিক এবং হট দৃশ্যে অভিনয় করেছেন৷
33

হ্যালো কলকাতা ও স্মৃতিমেদুর: ২০০৮ ও ০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিনেতা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে জুটি বেঁধে পর পর দুটি ছবিতে কাজ করেছিলেন শ্রীলেখা৷দুটিতেই ইন্দ্রজিতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন তিনি৷যদিও ছবি দুটি বাণিজ্যিক সাফল্য পায়নি৷
টক মিষ্টি জীবন: ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিকে দ্বিতীয় নায়ক-নায়িকা জুটি হিসেবে অভিনয় করেছিলেন রণিত রায় ও শ্রীলেখা মিত্র৷দুজনেরই কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে তিনি অভিনয় করেছিলেন এঁরা৷
কাঁটাতার: বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত ‘কাঁটাতার’ ছবিতে শ্রীলেখা মিত্র অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন৷সেখানে সহঅভিনেতার সঙ্গে অত্যন্ত অন্তরঙ্গ এক চুমুর দৃ্শ্যে দারুণ গভীর অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী৷ছবিটি বিভিন্ন আন্তর্জাতির চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত এবং পুরস্কৃত হয়েছিল৷